• Developed by : BDIX ROOT
  • আইন ও আদালত

    তানোরে খাদ্যগুদাম চত্ত্বরের গাছ নিধন

      প্রতিনিধি ২৪ জুলাই ২০২২ , ৩:৫৬:০১ প্রিন্ট সংস্করণ

    রাজশাহীর তানোরের কামারগাঁ সরকারি খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে গুদাম চত্ত্বরের পরিপক্ক বড় সাইজের ৩টি মেহেগুনি ও ১টি শিশু গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুলাই শনিবার রাতের আঁধারে এসব গাছ কাটা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,রোববার সকালে বহিরাগত কয়েকজন কাটা গাছ পাচারের চেস্টা করলে এলাকাবাসি ঘটনা জানতে পারে। এসময় তারা গাছ রেখে কৌশলে সটকে পড়ে। এদিকে এখবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসির মাঝে চরম অসন্তোসের সৃষ্টি হয়েছে।

    তারা ঘটনা তদন্ত করে অভিযুক্ত কর্মকর্তার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি করেছে কামারগাঁ বাজারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যবসায়ীরা বলেন, এর আগেও এই কর্মকর্তা গুদাম চত্ত্বর থেকে গোপণে পুরাতন কাঠ বিক্রি ও অফিস কক্ষে মাদক সেবন করেন বলেও গুঞ্জন উঠে। এবিষয়ে জানতে চাইলে কামারগাঁ খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) রেজাউল ইসলাম অন্যান্য অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,বনবিভাগের লোকজন এসব গাছ কাটার জন্য চিহ্ন করে গেছেন। তিনি বলেন, ডিসিফুড স্যারের অনুমতি নিয়ে গাছ কাটা হয়েছে, গাছ না কাটলে গুদামের ভিতর রাস্তা নির্মাণ করা যাচ্ছে না।

    এবিষয়ে রাজশাহী জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (ডিসিফুড) বলেন, তিনি কি গাছ কাটার অনুমতি দিতে পারেন, তিনি কাউকে গাছ কাটার অনুমতি দেননি, কেউ কাটলে সে দায় তার। এবিষয়ে উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (টিসিএফ) আজহারুল ইসলাম বলেন, তিনি এবিষয়ে কিছুই জানেন না, গাছ কেনো কাটলেন সেটা তিনি বলতে পারবেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান শাহ্ বলেন, টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ছাড়া গাছ কাটার কোনো সুযোগ নাই, কেউ কাটলে সেটা দন্ডনীয় অপরাধ।

    আরও খবর

    দামুড়হুদায় নিম্ন বীজ ও অধিক মূল্যে সার বিক্রয় করার অপরাধে জরিমানা আদায়

    সুজানগরের নাজিরগঞ্জ মাদকদ্রব্য গাঁজা সহ একজন আটক।

    পুরুষশূন্য মাশিকাড়া গ্রাম কাটছে না আতঙ্ক প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার দাবি নারীদের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলা মাশিকাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় প্রধান শিক্ষকের শাস্তি ও অপসারনের দাবিতে বিক্ষোভ, সংঘর্ষ, হামলা, অগ্নিসংযোগ ও গুলিবিদ্ধ হয়ে পুলিশসহ অর্ধশত গ্রামবাসী আহত হওয়ার ঘটনার ৪ দিন পর গতকাল শনিবার দুপুরেও ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। দুপুরের পরও ওই এলাকায় মানুষজনের তেমন উপস্থিতি ছিলনা। খুলেনি দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। মাশিকাড়া বাজার ও মাশিকাড়া উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় ছিল পুলিশি টহল এবং সাংবাদিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কড়া নজরদারি। এ ছাড়া গত বুধবারের ওই সহিংসতার পর থেকে এখন পর্যন্ত হওয়া দুইটি মামলায় গতকাল শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। যৌন হয়রানির দায়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক দেবীদ্বার উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক মোক্তল হোসেনকে উদ্ধারের ঘটনায় অভিযান চালাতে গিয়ে এ তা-ব চালানোর অভিযোগ উঠল দেবীদ্বার থানার পুলিশের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই অভিযুক্ত শিক্ষকের পক্ষের একটি প্রভাবশালী চক্রের প্ররোচনায় এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করতে পুলিশ এই কাজ করেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তবে উদ্বেগ আর আতঙ্ক কাটেনি নির্যাতনে শিকার ছাত্রীর পরিবার ও স্থানীয়দের। মাশিকাড়া গ্রামের সাথে আশপাশের আরো দুটি গ্রামে কয়েক হাজার মানুষের বসবাস। যাদের প্রায় সবাই গত বুধবারের সহিংসতায় হতবাক। আতঙ্কিত শিশুরাও। কোনকিছুর শব্দ ও আগুন দেখলে অনেকেই চমকে উঠছেন। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন যাপন করছে মাশিকাড়া গ্রামসহ আশপাশের আরো অন্তত দুই গ্রামের নারী, পুরুষ ও শিশুরা। সবার মধ্যে একটাই আতঙ্ক, আর তা হলো যদি আবার এসে পুলিশ হামলা ও গুলি করে। বাড়িতে থাকতে নিরাপদ বোধ করছে না কেউই। অবশ্য মামলা ও পুলিশি অভিযানের কারণে বাড়িতে থাকার মতো পরিস্থিতিও নেই। অনেকেই নিজেদের বাড়ি ছেড়ে স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত নির্যাতিতা স্কুলছাত্রীর পরিবার কারও সাহায্য-সহযোগিতা চান না। তারা শুধু নিরাপদে বসবাসের নিশ্চয়তা চান, নিজেদের জানমালের নিরাপত্তা চায় তারা। গতকাল সাংবাদিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে তাদের কাছে এমন দাবি জানান তারা। সাংবাদিকদের কাছে তারা সহিংসতায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারেরও দাবি জানান। সরেজমিনে দেখা গেছে, মাশিকাড়া ও শাকতলা গ্রামের প্রায় সব বাসিন্দার চোখে-মুখে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার ছাপ। মাশিকাড়া বাজারে দুধ বিক্রি করতে আসা মো. মনু মিয়া (৬০) বলেন, ‘আমরা এতো বছর ধরে সম্প্রীতির সঙ্গে সবাই বসবাস করে আসছি। আমরাও এখানে স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করেছি, একই সঙ্গে খেলাধুলা করেছি। কখনো কারো সাথে কোনো বিরোধ হয়নি। এক শিক্ষকের অনৈতিক আচরনের জন্য তার পক্ষের বহিরাগত কিছু লোক এসে এখানের মানুষজনকে উসকে দিয়ে এই কাজগুলো করাচ্ছে। এই মূলহোতাদের আইনের আওতায় আনা উচিত।’ গত বুধবার বিকেলে থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার মাশিকাড়া উচ্চ ববিদ্যালয় এলাকায় স্থানীয় জনতা-ছাত্র ও পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এই সহিংসতায় সাত পুলিশসহ স্থানীয় অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হন। শাকতলা গ্রামের রাজিয়া বেগম বলেন, ‘সেদিনের হামলার বীভৎসতায় আমার সাত বছরের ছেলে এখনো আঁতকে ওঠে। পুলিশ দেখলে ভয়ে কেঁদে ফেলে। এমন অবস্থা আমাদের প্রত্যেক পরিবারের। আমরা সরকারের কাছে নিরাপত্তা চাই।’ ওই ঘটনায় নির্যাতিতা স্কুলছাত্রীর বাবা ণারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলার বাদী মো. শফিউল্ল্যাহ বলেন, ‘আমরা কারও সাহায্য-সহযোগিতা চাই না। আমরা শুধু নিরাপদে বসবাস করতে চাই। নিজেদের জানমালের নিরাপত্তা চাই।’ মামলা ও গ্রেপ্তার- বুধবারের সহিংসতার ঘটনায় আলাদা দুইটি মামলা করা হয়েছে। দেবীদ্বার থানায় হামলা ভাঙচুর, লুটপাট, সরকারি কাজে বাধাদানসহ বিভিন্ন অভিযোগে পুলিশের পক্ষ থেকে একটি ও যৌন হয়নরানীর শিকার ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে ণারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি একটি মামলা করা হয়। এ দুই মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ওই ঘটনায় অভিযুক্ত যৌন নিপীড়ক প্রধান শিক্ষক মোক্তল হোসেনসহ এ পর্যন্ত ১৭জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শনিবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইিম এন্ড অপস্) খন্দকার আশরাফুজ্জামান বলেন, ‘বিভিন্ন অভিযোগে দুইটি মামলা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। ওখানকার দায়িত্বরত পুলিশের কোন গাফলতি ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

    কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের সতর্ক বার্তা

    বরিশালে মদসহ নারী বিক্রেতা গ্রেফতার

    চাপড়া ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার মোতাহারের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বালু উত্তোনের অভিযোগ

    Sponsered content

    Developed by : BDIX ROOT