প্রতিনিধি ১৪ আগস্ট ২০২০ , ২:২৫:৪৮ প্রিন্ট সংস্করণ
নাহিদ সুমন-জীবননগর চুয়াডাঙ্গাঃ
সম্প্রতি বসত বাড়িতে সাপের উপ্রদ্রব বেড়েই চলেছে। চারিদিকে পানির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় এবং আবাসস্থল কমে যাওয়ার কারনেই বসত বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছে বিষাক্ত সাপ।
চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার সুবলপুর গ্রামে সাপ আতঙ্ক বিরাজ করছে, প্রতি রাতে চার/পাঁচ জনের সাপে কাঁটছে এক সপ্তাহের মধ্যে দশ থেকে বিশ জনের সাপে কেঁটেছে,।সাপে কাটার রোগিদের মধ্যে,ফফিকুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী,আবুল হাসেমের দুই মেয়ে,ইয়ামিনের বড় মেয়ে ইভা,আমিনের স্ত্রী কাকলী,সুবলপুর মাদ্রাসার হাফেজ আলী আকবর,খোকনের ছেলে রিফাত,আনছার আলীর ছেলে মুলাম হোসেন,খোদা বক্সের ছেলে দাউদ হোসেন,এবং আরও অনেকে। সাধারণ মানুষ সাপের ভয়ে ঘুমাতে পারছে না।এদিকে প্রচীন যুগের কবিরাজী চিকিৎসায় যেন একমাত্র ভরসা।
বর্তমান আধুনিক যুগ হওয়া সত্বেও কবিরাজী চিকিৎসা এটা আদেও মেনে নেওয়া যায় না। নাম না বলার শর্তে এক কবিরাজ বলেছে জিন সাপ,আসলে আধুনিক যুগে এটাকি বিশ্বাস করা যায়।জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স খোজ নিয়ে জানতে পারি উপজেলা পর্যায় কোন হাসপাতালে সাপের ভ্যাকসিন পাওয়া যায় না, তাহলে মানুষের সমস্যা কিভাবে সমাধান হবে,উল্লেখ্য যে,প্রতি বছর আমাদের দেশে হাজার হাজার মানুষ সাপে কেঁটে মারা যাচ্ছে ,অথচ উপজেলা পর্যায় কোন ভ্যাকসিনচ পাওয়া যায় না। মানুষের কথা চিন্তা করে প্রত্যেক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপের ভ্যাকসিন থাকা অতি জরুরী।


















