• Developed by : BDIX ROOT
  • কৃষি

    সুজানগরের পানির অভাবে পাট জাগ দেওয়া নিয়ে বিপাকে কৃষক

      প্রতিনিধি ২০ জুলাই ২০২২ , ১২:২৫:২৯ প্রিন্ট সংস্করণ

    চলতি বছর পাটের আবাদ বৃদ্ধি ও পাটের বাম্পার ফলন হওয়ায় চাষিদের মুখে হাসি ফুটলেও পানির অভাবে পাট জাঁগ দেওয়া (পঁচানো) নিয়ে বিপাকে পড়েছেন পাবনার সুজানগর উপজেলার পাট চাষিরা।বৃষ্টি না হওয়ায় খাল-বিলসহ বিভিন্ন ডোবা ও নালায় পর্যাপ্ত পানি না থাকায় এ অঞ্চলের কৃষকরা পাট কাটতে পারছে না। অনেকেই আবার ভারি বৃষ্টিপাতে বিভিন্ন ডোবা-নালায় পানি ভরাট হওয়ার আশায় পাট কাঁটা শুরু করলেও

    কাংখিত বৃষ্টির দেখা না পেয়ে পানির অভাবে পাট জাঁগ দেওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।এরই মধ্যে অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে শ্যালো মেশিন ও মোটরের পানি দিয়ে পাট জাঁগ দিতে গিয়ে তাদেও বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে । আবার অনেকে খালে বিলে বা ছোট জলাশয়ে সামান্য জমাট বাঁধা পানিতে পাট-জাঁগ দিচ্ছেন । এ অবস্থায় চাষ বৃদ্ধি ও ভালো ফলন হলেও লাভের জায়গায় লোকসান গুনতে হবে বলে জানান এ অঞ্চলের পাট চাষিরা।

    বৃষ্টির অভাবে একদিকে চাষিরা যেমন রয়েছে মহাবিপদে অন্যদিকে কৃষকরা রোপা আমন ধানও বুনতে পারছেন না।
    সোনালি আঁশ এখন কৃষকের গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়িয়েছে। চাষিরা শ্যালো মেশিনে সেচ দিয়ে আমন লাগানোর কারণে পাট কেটে রেখেছেন যত্রতত্র। পানি না থাকায় রোদে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হচ্ছে এসব কাঁচা পাট।

    সুজানগর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম শনিবার জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় মোট ৫ হাজার ৭২০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ করা হয়েছে। চাহিদা সম্পন্ন বৃষ্টি না হওয়ায় কৃষকদের রিবন রিডিং পদ্ধতিতে মাটিতে গর্ত খুঁড়ে পাট পচানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।এদিকে কাংখিত বৃষ্টির দেখা মিলবে, ঘরে উঠবে সোনালী ফসলের সোনালী আঁশ। প্রাপ্য মজুরি পেয়ে হাসি ফুটবে মুখে, এমন বিভোর স্বপ্নে বুক বেঁধে আছেন এই অঞ্চলের প্রান্তিক চাষিরা ।

    আরও খবর

    Sponsered content

    Developed by : BDIX ROOT