প্রতিনিধি ১৩ মে ২০২৪ , ৮:০৩:২০ প্রিন্ট সংস্করণ
হিজলা প্রতিনিধিঃ
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেঘনা ও শাখা নদীতে বাগদা রেনু চিংড়ি ধরা ও পাচারের মহা উৎসব চলছে। এ বিষয়ে প্রশাসন নিরব ভুমিকা পালন করছে। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছর বৈশাখ মাসের শুরুর দিকে মেঘনা নদী জুড়ে বাগদা রেনু চিংড়ি ধরা ও পাচার শুরু হয়েছে।ছোট ছোট নৌকা দিয়ে নদীর কিনারায় নেট জাল দিয়ে এ রেনু চিংড়ি ধরা হয়।একটি সিন্ডিকেট বাহিনীর মাধ্যমে সাতক্ষীরা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি করে থাকে। জানা যায় যারা রেনু চিংড়ি ধরে তারা মহাজনদের কাছে প্রতিপিচ বাগদা রেনু ১.৮০ টাকা থেকে ২ টাকায় বিক্রি করে থাকে।
উপজেলার মেঘনা নদী জুড়ে রয়েছে রেনু ব্যবসার সাথে জড়িত স্থানীয় একটি সিন্ডিকেট বাহিনী।রেনু পাচার চক্রের প্রধান হোতা জসিম সরদার সাংবাদিক থানা পুলিশ,নৌ-পুলিশ সহ বিভিন্ন দপ্তকে কে ম্যানেজ করে তারা এ অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।তাই এ অবৈধ বাগদা চিংড়ির রেনু ব্যবসা করতে আইনী ঝামেলার শিকার হতে হয় না।তাই সিন্ডিকেট চক্রের প্রধান হোতার জসিম জানতে চাইলে বলেন সংবাদ করলে হবে কি? সব ম্যানেজ। রেনু চিংড়ি শিকার করা চক্রের এক সদস্য পরাণ ভুইয়া জানায় আমার এড়িয়ায় আমরা প্রতিদিন প্রায় ৫ হাজার থেকে ৮ হাজার পিচ বাগদা রেনু চিংড়ি ধরে থাকি। এ রেনু গুলো হিজলা উপজেলার জসিম সরদারের কাছে বিক্রি করে দেই।
হিজলা উপজেলায় মেঘনা নদীতে বাগদা রেনু চিংড়ির ব্যবসা সাথে রয়েছে প্রায় ডজন খানেক এর অধিক ব্যাক্তি।মেমানিয়া ইউনিয়নের নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যাক্তি জানায় জসিম সরদার ভোলার সবুজ মাঝি হিজলা উপজেলার আলীগঞ্জ, পুরাতন হিজলা বন্দর, মাটিয়ালা ,মাঝেরচর, চরভৌরবী,ধুবলার চর,খালিশপুর,কাজিরহাটের আন্ধারমানিক, জয়নগর,বাগরজা সহ বিভিন্ন শাখা নদীর মাছ ক্রয় করে। বাগদা রেনু চিংড়ি পাচারে হিজলা উপজেলায় নিয়ন্ত্রন করে কোষ্টগার্ডের সাবেক মাঝি জসিম সরদার।
হিজলা নৌ-পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মোঃ তরিকুল ইসলাম জানায় কিছুদিন আগে বাগদা রেনু শিকারের জাল পোড়ানো হয়েছে। রাতে আমাদের টিম নদীতে ডিউটি করে।সামনে পরলে আটক করবে। হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানায় বাগদা রেনুর আইনকানুন সর্ম্পকে আমার ধারনা নেই।তবে বেআইনী ভাবে শিকার করলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।


















